Course Content
মডিউল-১
মডিউল-১, সেশন-২ঃ ফার্মাসিস্ট কোড অব ইথিকস এবং মডেল মেডিসিন শপে গ্রেড ‘সি’ ফার্মাসিস্টদের (ফার্মেসি টেকনিশিয়ান) দায়িত্ব ও কর্তব্য
0/2
মডিউল-২
0/27
মডিউল-৪
0/21
মডিউল-৪, সেশন-৩ঃ ওষুধ প্রয়োগের পথ
0/8
মডিউল-৫
মডিউল-৫, সেশন-২ঃ শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমেই ক্রেতার নিকট বিক্রয়যোগ্য ওষুধসমূহ (Prescription Only Medicines)
0/13
মডিউল-৭
মডিউল-৭, সেশন-২ঃ এ্যান্টিবায়োটিকের অকার্যকর হওয়া যেভাবে ছড়িয়ে পড়ে
0/7
মডিউল-৮
মডিউল-৮, সেশন-২ঃ করোনা সংক্রমণকালীন নিরাপদ ওষুধ ডিসপেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনুসরণ
0/12
Private: Training Manual for Grade C Pharmacy Technicians
About Lesson

এন্টি-মাইক্রোবিয়াল ওষুধ-পেনিসিলিন

পেনিসিলিন

পেনিসিলিন হচ্ছে ব্যাকটেরিয়াঘাতী বিটা ল্যাকটাম এন্টিবায়োটিক এবং এটি অন্যান্য সকল বিটা ল্যাকটাম ওষুধের মতই ব্যাকটেরিয়া কোষের দেয়াল সংশ্লেষণ করার মাধ্যমে কাজ করে। শোষণ প্রক্রিয়ার পরে, সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম ছাড়া সারা শরীরের সর্বত্র ছড়িয়ে যায়। যখন মেনিনজেসে প্রদাহ হয়, সেরেব্রোস্পাইনাল ফ্লুইডের দেয়াল ভেদ করে ঢোকার পরিমাণ বেড়ে যায়।
পেনিসিলিনের কিছু উদাহরণ হচ্ছে: পেনিসিলিন জি, পেনিসিলিন ভি, বেনজাথিন পেনিসিলিন, ক্লোক্সাসিলিন, ফ্লুক্লক্সাসিলিন, এমক্সিসিলিন, এমপিসিলিন ইত্যাদি।

পেনিসিলিনের নির্দেশনা

  • পেনিসিলিন জি: স্ট্রেপটোকক্কাল ফ্যারিনজাইটিস, আথ্রাইটিস, মেনিনজাইটিস, এন্ডোকার্ডাইটিস, মেনিনগোকক্কাল রোগ, নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া, এনথ্রাক্স, সিফিলিস, গনোরিয়া, একটিনোমাইকোসিস, গ্যাস গ্যাংগ্রিন, কার্বানকল, ডিপথেরিয়ার বাহক পর্যায় দূর করা, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেটে বাদ দেয়ার সার্জিক্যাল প্রোফাইল্যাক্সিস;
  • পেনিসিলিন ভি: টনসিলাইটিস, অটাইটিস মিডিয়া, এরিসেপেলাস, রিউমেটিক ফিভারের প্রোফাইল্যাক্সিস, নিউমোকক্কাল সংক্রমন;
  • ডাইক্লোক্সাসিলিন: যে স্ট্যাফাইলোকক্কাল সংক্রমনগুলো বেনজাইলপেনিসিলিন প্রতিরোধী;
  • ফুলুক্লোক্সাসিলিন: বিটা-ল্যাকটামেজ-তৈরী করে এমন স্ট্যাফাইলোকক্কাল সংক্রমন, অটাইটিস এক্সটার্নাসহ এডজাংক ইন নিউমোনিয়া; ইমপেটিগো; সেলুলাইটিস; অস্টিওমেলাইটিস; এবং স্ট্যাফাইলোকক্কাল এন্ডোকার্ডাইটিস;
  • এমপিসিলিন: এন্ডোকার্ডাইটিস প্রোফাইলেক্সিস, নিউমোকক্কাল রোগ ও এডজাংক ইন লিস্টেরিয়া মেনিনজাইটিস, ইউটিআই, অটাইটিস মিডিয়া, সাইনোসাইটিস, ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস, হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমন, ইনভেসিভ সালমোনেলোসিস, মেনিনগোকক্কাল রোগ, লিস্টেরিয়াল মেনিনজাইটিস, এইচ পাইলরি সংক্রমন, এন্ডোকার্ডাইটিস প্রোফাইলেক্সিস ও চিকিৎসা।

পেনিসিলিন যেভাবে পাওয়া যায়

  • সলিড আকারে (ট্যাবলেট, ক্যাপসুল ও সাসপেনসনের পাউডার ইত্যাদি);
  • মাংসপেশী/শিরায় ব্যবহারের ইনজেকশন।

প্রয়োগের পথ

  • মুখে;
  • শিরায়;
  • মাংসপেশীতে;

বিরুদ্ধ ব্যবহার  (Contraindications)

  • পেনিসিলিনের সংবেদনশীলতা;

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

  • সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হচ্ছে, পেনিসিলিনের মৌলিক কাঠামোর সাথে অত্যাধিক সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া; এতে দানা ওঠে ও এনাফাইলেক্সিসের মত মারাত্মক অবস্থা হতে পারে;
  • সেফালোস্পোরিন ও অন্যান্য বিটা ল্যাকটামে পেনিসিলিন-সংবেদনশীল রোগীর প্রায় ১০%-র এলার্জি হয়। একটি বিরল ও সংকটজনক বিষক্রিয়া হচ্ছে এনসেফালোপ্যাথী যা সেরেব্রাল ইরিটেশনের জন্য ঘটে। এটা ঘটতে পারে অতিরিক্ত বেশী ঘন পেনিসিলিনের জন্য – উচ্চ মাত্রায় দেয়ার ফলে বা কিডনীর সমস্যা থাকলে;
  • আরেকটি সমস্যা হচ্ছে ইলেকট্রোলাইট জমা হওয়া – পেনিসিলিনের উচ্চ মাত্রা অথবা কিডনী ফেলিওর রোগীকে স্বাভাবিক মাত্রায় দেয়ার ফলে; কারণ, বেশীরভাগ পেনিসিলিন ইনজেকশনে সোডিয়াম বা পটাসিয়াম থাকে;
  • মুখে পেনিসিলিন দিলে ডায়রিয়া হয়, সাধারণত ব্রড-স্পেকট্রাম পেনিসিলিনে যার কারনে এন্টিবায়োটিক-যুক্ত কোলাইটিস হতে পারে।

ব্যবহারে সতর্কতা

  • যে ব্যক্তির পেনিসিলিনের কারণে এনাফাইলেক্সিস, আরটিকারিয়া বা দানা ওঠার অভিজ্ঞতা হয়েছে, তার পেনিসিলিনে তাৎক্ষনিক অত্যাধিক সংবেদনশীলতা হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশী। তাদের কোন পেনিসিলিন বা অন্যান্য বিটা ল্যাকটাম এন্টিবায়োটিক নেয়া উচিত নয়;
  • একটি পেনিসিলিনে এলার্জি হলে অন্য পেনিসিলিনগুলোতেও এলার্জি হবে। যার অল্প দানা বা নেয়ার ৭২ ঘন্টা পরে দানা ওঠে – তাদেরকে পেনিসিলিনে এলার্জি বলে বিবেচনা করা হয় না এবং তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে পেনিসিলিন দেয়া বন্ধ হবে না।

সংরক্ষণ

এই ধরনের ওষুধ ফর্ম/ডোজেস ফরম ও ওষুধের বাক্সে প্রদত্ত লিফলেট/বিবরণীপত্রে নির্দেশিত নিয়মে সংরক্ষণ করা উচিত।

Exercise Files
No Attachment Found
No Attachment Found