মডিউল-১

মডিউল-১, সেশন-২ঃ ফার্মাসিস্ট কোড অব ইথিকস এবং মডেল মেডিসিন শপে গ্রেড ‘সি’ ফার্মাসিস্টদের (ফার্মেসি টেকনিশিয়ান) দায়িত্ব ও কর্তব্য

মডিউল-২

মডিউল-৪

মডিউল-৪, সেশন-৩ঃ ওষুধ প্রয়োগের পথ

মডিউল-৫

মডিউল-৫, সেশন-২ঃ শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমেই ক্রেতার নিকট বিক্রয়যোগ্য ওষুধসমূহ (Prescription Only Medicines)

মডিউল-৭

মডিউল-৭, সেশন-২ঃ এ্যান্টিবায়োটিকের অকার্যকর হওয়া যেভাবে ছড়িয়ে পড়ে

মডিউল-৮

মডিউল-৮, সেশন-২ঃ করোনা সংক্রমণকালীন নিরাপদ ওষুধ ডিসপেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনুসরণ

লেসন-৪ঃ এন্ডোক্রাইন (অন্তঃক্ষরাগ্রন্থি) তন্ত্র ও বিপাকীয় সমস্যায় ব্যবহৃত ওষুধসমূহ

এন্ডোক্রাইন (অন্তঃক্ষরাগ্রন্থি) তন্ত্র ও বিপাকীয় সমস্যায় ব্যবহৃত ওষুধসমূহ

এন্ডোক্রাইন (অন্তঃক্ষরাগ্রন্থি) তন্ত্র ও বিপাকীয় সমস্যায় ব্যবহৃত ওষুধসমূহ

অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতন্ত্র ও বিপাকীয় সমস্যা বা আক্রান্ত রোগসমূহ প্রতিরোধে কিংবা এধরনের সমস্যা/ রোগসমূহ (হাইপারথাইরয়েডিজম, হাইপোথাইরয়েডিজম, থাইরোটক্সিকোসিস, ডায়াবেটিস মেলাইটাস ইত্যাদি) থেকে আরোগ্য লাভে এ ধরনের ওষুধ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এধরনের কতকগুলো ওষুধের উদাহরণ হলো- ইনসুলিন, আয়োডিন, কার্বিমাজোল, প্রেডনিসোলোন, হাইড্রোকর্টিসন ইত্যাদি।

নির্দেশনা

নিম্নের রোগ/ সমস্যা সমূহের চিকিৎসার জন্য:

  • হাইপোথাইরয়েডিজম;
  • থাইরোটক্সিকোসিস;
  • ডায়াবেটিস;
  • হাইপোগ্লাইসেমিয়া।

বাজারে যেভাবে পাওয়া যায়

  • সলিড (Solid) আকারে (ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, পিএফএস) মুখে ব্যবহারের জন্য;
  • তরল (Liquid) আকারে (সিরাপ, সাসপেনশন) মুখে ব্যবহারের জন্য;
  • অর্ধতরল (Semi-Solid) আকারে (ক্রিম, অয়েন্টমেন্ট) সরাসরি চামড়ায় ব্যবহারের জন্য;
  • শিরায় বা মাংসপেশীতে (Parenteral) ইনজেকশনের মাধ্যমে ব্যবহারের জন্য;

প্রয়োগ পথ

  • মুখে খাওয়ার মাধ্যমে;
  • শিরায় বা মাংসপেশীতে ইনজেকশনের মাধ্যমে;

বিরুদ্ধ ব্যবহার (Contraindications)

  • বুকের দুধ খাওয়ানো অবস্থায়;
  • ডায়াবেটিক কিটোএসিডোসিস (Diabetic Ketoacidosis);
  • মেটাবোলিক এসিডোসিস (Metabolic Acidosis);
  • যকৃত বা কিডনির সমস্যায়;

সতর্কতা

  • প্যানহাইপোপিটুইটারিজম (Pan-hypopituitarism);
  • কার্ডিয়াক ইসকেমিয়া (Cardiac Ischaemia);
  • যকৃতের সমস্যা (Liver Disorder);
  • গর্ভাবস্থা;

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

  • ওজন বৃদ্ধি পাওয়া;
  • গ্লকোজ সহ্য ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়া;
  • বমি বমি ভাব;
  • স্নায়বিক দুর্বলতা (Nervousness);
  • মাথাঘোরা;

সংরক্ষণ

ধরনের ভিন্নতা অনুসারে বাজারে যেভাবে পাওয়া যায় সেই অনুসারে এই ওষুধগুলো বাক্সের গায়ে বা ওষুধের বাক্সে প্রদত্ত লিফলেট/বিবরণীপত্রে নির্দেশিত নিয়মে সংরক্ষণ করতে হবে।