Course Content
মডিউল-১
মডিউল-১, সেশন-২ঃ ফার্মাসিস্ট কোড অব ইথিকস এবং মডেল মেডিসিন শপে গ্রেড ‘সি’ ফার্মাসিস্টদের (ফার্মেসি টেকনিশিয়ান) দায়িত্ব ও কর্তব্য
0/2
মডিউল-২
0/27
মডিউল-৪
0/21
মডিউল-৪, সেশন-৩ঃ ওষুধ প্রয়োগের পথ
0/8
মডিউল-৫
মডিউল-৫, সেশন-২ঃ শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমেই ক্রেতার নিকট বিক্রয়যোগ্য ওষুধসমূহ (Prescription Only Medicines)
0/13
মডিউল-৭
মডিউল-৭, সেশন-২ঃ এ্যান্টিবায়োটিকের অকার্যকর হওয়া যেভাবে ছড়িয়ে পড়ে
0/7
মডিউল-৮
মডিউল-৮, সেশন-২ঃ করোনা সংক্রমণকালীন নিরাপদ ওষুধ ডিসপেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনুসরণ
0/12
Private: Training Manual for Grade C Pharmacy Technicians
About Lesson

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলো জাতীয় স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও পুষ্টি বিষয়ক নীতিমালা/ নীতি নির্ধারণ, কর্মসূচি এবং কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়ন, ব্যবস্থাপনা, সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করা। এই মন্ত্রণালয় দুইটি বিভাগে বিভক্তঃ
১। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং

২। স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ।

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই বিভাগ দুটি দুইজন সচিবের অধীনে পরিচালিত হয়।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাস্তবায়নকারী দপ্তর/অধিদপ্তরসমূহ

প্রধান অধিদপ্তরসমূহের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS) ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর (DGFP); প্রতিটি অধিদপ্তরের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মহাপরিচালক (DG)। স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরসমূহের জাতীয় ও মাঠ পর্যায়ে আলাদা ব্যবস্থাপনা ও সেবা প্রদানের কাঠামো রয়েছে।

অন্যান্য দপ্তর/অধিদপ্তরগুলো হচ্ছে- ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (DGDA), নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর (DGNM), হেলথ ইকোনোমিক ইউনিট (HEU), জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (NIPORT) এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ (HED)।
পরিবহন ও যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ সংস্থা (TEMO) এবং জাতীয় তড়িৎ-প্রকৌশল চিকিৎসা যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ ওয়ার্কশপ (NEMEMW&TC) হচ্ছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষায়িত দপ্তর; যেগুলো ঢাকায় অবস্থিত এবং চিকিৎসা বিষয়ক যন্ত্রপাতি ও যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ

বাংলাদেশের সংবিধিবদ্ধ/স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহঃ
১. বিএমডিসি – বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল;
২. পিসিবি – ফার্মেসী কাউন্সিল অব বাংলাদেশ;
৩. এসএমএফ – স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি;
৪. বিএনএমসি – বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল;
৫. বিএইচবি – বোর্ড অব হোমিওপ্যাথি, বাংলাদেশ;
৬. বিইউ অ্যান্ড এবি – বোর্ড অব ইউনানী অ্যান্ড আয়ুর্বেদ, বাংলাদেশ।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছয়টি স্বায়ত্বশাসিত পেশাজীবী নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের (বিএমডিসি, পিসিবি, এসএমএফ, বিএনএমসি, বিএইচবি ও বিইউ অ্যান্ড এবি) দায়িত্ব হচ্ছে ডাক্তার, নার্স, মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ও ফার্মাসিস্ট এবং

বিকল্প চিকিৎসা পেশাজীবী তৈরি করা। বিএমডিসি ডাক্তার, ডেন্টিস্ট ও মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের নিবন্ধনের কাজটি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। চিকিৎসা শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা দক্ষতার মান নিশ্চিত করাও এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। বিএমডিসির দায়িত্ব হচ্ছে চিকিৎসা বিষয়ক যে কোন অবহেলা, সঠিক সেবা না দেয়া অথবা পেশার অপব্যবহার সম্পর্কিত বিষয়গুলি দেখভাল করা এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল (বিএনসি) নার্সিং শিক্ষা ও নার্সিং সেবা নিয়ন্ত্রণ করে যার মধ্যে রয়েছে নার্সিং ইন্সটিটিউটসমূহের অন্তর্ভুক্তিকরণ, নার্সিং ও স্বগোত্রীয় পেশাজীবীদের পরীক্ষা এবং রেজিস্টার রক্ষণাবেক্ষণ করা। মিডওয়াইফারী একটি নতুন ক্যাডার যোগ হতে যাচ্ছে যা বিএনসি (বা পরবর্তীতে বিএনএমসি) নিয়ন্ত্রণ করবে। যাহোক, নার্সিং অধিদপ্তর শক্তিশালী ও পুনর্গঠন করতে এবং বিএনসি পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টির (এসএমএফ) দায়িত্ব হচ্ছে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) ও ইন্সটিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) অন্তর্ভুক্তিকরণ; এই প্রতিষ্ঠানসমূহ মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট, ল্যাব টেকনিশিয়ান তৈরি করে থাকে। এসএমএফ মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ও ল্যাব টেকনিশিয়ানদের শিক্ষার মান বৃদ্ধি ও তাদের পরীক্ষা নেয়ার দায়িত্ব পালন কওে থাকে। ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের (গ্রেড বি) শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, পরীক্ষা নেওয়া এবং রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল।

বোর্ড অব হোমিওপ্যাথি (বিএইচবি), বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি শিক্ষা ও হোমিওপ্যাথি সেবা নিয়ন্ত্রণ করে। বোর্ড অব ইউনানী অ্যান্ড আয়ুর্বেদ, বাংলাদেশ (বিইউঅ্যান্ডএবি) নিয়ন্ত্রণ করে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক শিক্ষা এবং সেবা। উভয় প্রতিষ্ঠানই ১৯৮২ সালের আইনের আওতায় কাজ করছে (দি প্রাইভেট প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস রেগুলেশন অর্ডিন্যান্স ১৯৮২) এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে এগুলোর সীমিত সম্পর্ক রয়েছে। উভয় প্রতিষ্ঠানই পরীক্ষা নেয়া ও পেশাদারীত্ব নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। যদিও অধিদপ্তরসমূহ সরাসরি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে, তারপরও সংবিধিবদ্ধ/ স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহের আলাদা বোর্ড ও ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া রয়েছে।

Exercise Files
No Attachment Found
No Attachment Found