মডিউল-১

মডিউল-১, সেশন-২ঃ ফার্মাসিস্ট কোড অব ইথিকস এবং মডেল মেডিসিন শপে গ্রেড ‘সি’ ফার্মাসিস্টদের (ফার্মেসি টেকনিশিয়ান) দায়িত্ব ও কর্তব্য

মডিউল-২

মডিউল-৪

মডিউল-৪, সেশন-৩ঃ ওষুধ প্রয়োগের পথ

মডিউল-৫

মডিউল-৫, সেশন-২ঃ শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমেই ক্রেতার নিকট বিক্রয়যোগ্য ওষুধসমূহ (Prescription Only Medicines)

মডিউল-৭

মডিউল-৭, সেশন-২ঃ এ্যান্টিবায়োটিকের অকার্যকর হওয়া যেভাবে ছড়িয়ে পড়ে

মডিউল-৮

মডিউল-৮, সেশন-২ঃ করোনা সংক্রমণকালীন নিরাপদ ওষুধ ডিসপেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনুসরণ

লেসন-২ঃ ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহার

ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহার

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আয়োজনে ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহারের ওপর ১৯৮৫ সালে নাইরোবিতে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়। এই সম্মেলনে ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহারের সংজ্ঞা নিরূপণ করা হয়। সংজ্ঞাটি হলো -“ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহার হলো রোগী তার রোগ-ব্যধিতে বা অসুস্থতায় প্রয়োজনীয় সঠিক ওষুধ, সঠিক মাত্রায় ও সঠিক মেয়াদের জন্য যেন পায় সেটা নিশ্চিত করা এবং তা যেন সে কম মূল্যে পায়।”

ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহার অনেকগুলো কারণের ওপর নির্ভর করে। যেমন এটা যৌক্তিক হবে যদি ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কোন রোগীকে কোন এ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি না করা হয়। কি কি ভাবে ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যেতে পারে তার কয়েকটি উপায়ের কথা বলা হলোঃ

  • ওষুধের সঠিক ব্যবহার অর্থাৎ সঠিক ওষুধ নির্বাচন;
  • যৌক্তিক নির্দেশনা – যেখানে চিকিৎসক সঠিকভাবে রোগ নির্ণয়ের পর ওষুধের ব্যবস্থাপত্র দেবেন;
  • সঠিক ওষুধ – যা রোগীর জন্য উপযুক্ত, নিরাপদ ও কার্যকর সেই সাথে কম মূল্যের;
  • ওষুধের সঠিক মাত্রা, প্রয়োগ ও গ্রহণের সঠিক মেয়াদ;
  • সঠিক রোগী – যার ওষুধের প্রতি বিরূপ-প্রতিক্রিয়া অতি সামান্য এবং কোন বিরূদ্ধ-ব্যবহার নেই;
  • ওষুধের সঠিক ডিসপেন্সিং – যেগুলো রোগীকে দেয়া হয়েছে, তার উপযুক্ত তথ্যসহ;
  • ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ডিসপেন্সিং-কৃত ওষুধ কখন কিভাবে গ্রহণ করতে হবে সেটা রোগী বুঝেছে কিনা যাচাই করা;