Course Content
মডিউল-১
মডিউল-১, সেশন-২ঃ ফার্মাসিস্ট কোড অব ইথিকস এবং মডেল মেডিসিন শপে গ্রেড ‘সি’ ফার্মাসিস্টদের (ফার্মেসি টেকনিশিয়ান) দায়িত্ব ও কর্তব্য
0/2
মডিউল-২
0/27
মডিউল-৪
0/21
মডিউল-৪, সেশন-৩ঃ ওষুধ প্রয়োগের পথ
0/8
মডিউল-৫
মডিউল-৫, সেশন-২ঃ শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমেই ক্রেতার নিকট বিক্রয়যোগ্য ওষুধসমূহ (Prescription Only Medicines)
0/13
মডিউল-৭
মডিউল-৭, সেশন-২ঃ এ্যান্টিবায়োটিকের অকার্যকর হওয়া যেভাবে ছড়িয়ে পড়ে
0/7
মডিউল-৮
মডিউল-৮, সেশন-২ঃ করোনা সংক্রমণকালীন নিরাপদ ওষুধ ডিসপেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনুসরণ
0/12
Private: Training Manual for Grade C Pharmacy Technicians
About Lesson

শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ব্যবহৃত ওষুধসমূহ

শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ব্যবহৃত ওষুধসমূহ

শ্বাসতন্ত্র সংক্রান্ত সমস্যা/অসুখের প্রতিরোধে বা আরোগ্যলাভে যে সকল ওষুধ ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে শ্বাসতন্ত্রের ওষুধ বলে। বেটা ২-এ্যাগোনিস্ট (Beta2-agonists), কর্টিকোস্টেরয়েড ও জ্যানথান (Xanthan) জাতীয় ওষুধগুলো মারাত্মক তীব্র হাঁপানির ক্ষেত্রে শিরায় ব্যবহৃত হয়। প্রয়োজনে মুখেও সেবন করা যেতে পারে। বেকলোমেথাসন ডাইপ্রোপায়োনেট, ফুলুটিকাসন প্রোপায়োনেটও শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ইনডাক্যটেরল, সালনেটেরল, ইপারাট্রোপিয়াম ব্রোমাইড, থিওফাইলিন, বুডেসোনাইড, কিটোটিফেন, মন্টেলুকাস্ট, নেবুলাইজার, এ্যামব্রক্সল হাইড্রোক্লোরাইড, ডেক্সট্রোমেথরফেন, এন্টিহিস্টামিন, সাইক্লোসোনাইড, এডরেনালিন ইত্যাদি ওষুধসমূহ শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় সচরাচর ও বহুল ব্যবহৃত ওষুধ।

নির্দেশনা

  • শ্বাসতন্ত্রে ব্যবহৃত ওষুধসমূহ মূলতঃ সমস্যার ধরন ও রোগের তীব্রতার উপর ভিত্তি করে নির্দেশিত হয়;
  • এ ধরনের ওষুধ শুধুমাত্র ডাক্তারের নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রহণ করা উচিত;

যেভাবে বাজারে পাওয়া যায়

  • সলিড আকারে মুখে খাওয়ার জন্য;
  • তরল আকারে মুখে খাওয়ার জন্য;
  • শিরাপথে ব্যবহারের জন্য;

প্রয়োগের পথ

  • মুখে
  • শিরাপথে ইনজেকশনের মাধ্যমে।

বিরুদ্ধ ব্যবহার (Contraindications)

  • সিকলেসোনাইড এ্যারোসল-এর প্রতি যে সকল রোগীর এলার্জি আছে তাদের এটা ব্যবহার করা উচিত নয়। এছাড়াও যে সকল রোগীর সাম্প্রতিক সময়ে নাকের সার্জারি হয়েছে তাদেরও এই এ্যারোসল ব্যবহার করা উচিত নয়;
  • স্তন্যদানকালীন সময়ে এবং যে সকল রোগীর লিভার সমস্যায় আক্রান্ত তাদের জাফিলুকাস্ট ব্যবহার করা উচিত নয়;
  • জ্ঞাত অতিসংবেদনশীলতার ক্ষেত্রে এ্যামব্রক্সল বা ব্রমহেক্সিন ব্যবহার করা যাবে না;

সতর্কতা

  • গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালীন সময়ে মন্টেলুকাস্ট সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে;
  • যারা জাফিলুকাস্ট ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে যারা অধিক বয়স্ক, গর্ভবতী বা কিডনির সমস্যায় ভুগছেন, তাদেরকে এই ওষুধ ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে;
  • পূর্ববর্তী হাঁপানির চিকিৎসা কমপক্ষে ২ সপ্তাহে চালিয়ে যেতে হবে যদি কিটোটিফেন ব্যবহার করা হয়;
  • পাকস্থলী কিংবা ডিত্তডেনাল আলসার-এর রোগীদের এ্যামব্রক্সল হাইড্রোক্লোরাইড ব্যবহারের পূর্বে সতর্ক হওয়া উচিত

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

  • পেটে (এপিগ্যাসট্রিক) ব্যথা, পেটে অস্বস্তিভাব;
  • মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, ত্বকে লাল লাল র‌্যাশ উঠা;
  • তন্দ্রা তন্দ্রা ভাব, মুখে শুষ্ক শুষ্ক ভাব, কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের উত্তেজনা;
  • শ্বাসতন্ত্রের উপরিভাগে সংক্রমণ, জ্বর, মাইয়ালজিয়া (Myalgia) ক্লান্তিভাব;

সংরক্ষণ

ওষুধের ধরন অনুসারে বাক্সের গায়ে অথবা ওষুধের বাক্সে প্রদত্ত লিফলেটে নির্দেশিত নিয়মে সংরক্ষণ করতে হবে।

Exercise Files
No Attachment Found
No Attachment Found