মডিউল-১

মডিউল-১, সেশন-২ঃ ফার্মাসিস্ট কোড অব ইথিকস এবং মডেল মেডিসিন শপে গ্রেড ‘সি’ ফার্মাসিস্টদের (ফার্মেসি টেকনিশিয়ান) দায়িত্ব ও কর্তব্য

মডিউল-২

মডিউল-৪

মডিউল-৪, সেশন-৩ঃ ওষুধ প্রয়োগের পথ

মডিউল-৫

মডিউল-৫, সেশন-২ঃ শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমেই ক্রেতার নিকট বিক্রয়যোগ্য ওষুধসমূহ (Prescription Only Medicines)

মডিউল-৭

মডিউল-৭, সেশন-২ঃ এ্যান্টিবায়োটিকের অকার্যকর হওয়া যেভাবে ছড়িয়ে পড়ে

মডিউল-৮

মডিউল-৮, সেশন-২ঃ করোনা সংক্রমণকালীন নিরাপদ ওষুধ ডিসপেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনুসরণ

লেসন-১ঃ মডেল মেডিসিন শপে নিম্নমানের ওষুধ প্রতিহত করার উপায়

একটি মডেল মেডিসিন শপে নিম্নমানের ওষুধ প্রতিহত করার উপায়ঃ

বাজারে নিম্নমানের ওষুধ প্রতিহত করার জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো প্রচলিত আইন, নীতিমালা, নির্দেশনা ইত্যাদি মেনে চলা। ওষুধ বিক্রেতা হিসাবে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো পূর্বে যে সকল নিয়মনীতি আলোচিত হয়েছে তা মেনে চলা।

এছাড়াও নিচের নির্দেশনাগুলো মেনে চলা উচিতঃ

১. আগে নিশ্চিত হতে হবে- যেখানে ওষুধ থাকবে এবং বিক্রয় হবে সেখানের পরিবেশ স্যাঁতস্যাঁতে নয়, অতিরিক্ত আলো বা তাপ নেই এবং পোকামাকড়ের উৎপাতও নেই;

২. ওষুধের চালান গ্রহণ করার সময় ভালোভাবে দেখে নিতে হবে বাক্সগুলো কোনভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কিনা। এটি মানহীন ওষুধ চেনার একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা;

৩. ওষুধের মান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা করা;

৪. বিক্রয়কেন্দ্রটি নিয়মিত পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখা;

৫. মেডিসিন শপের সেলফে ওষুধগুলো সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখা। মেঝেতে কোন ওষুধ না রাখা;

৬. ওষুধ ক্রয় ও বিক্রয়ের সকল নথি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা যাতে কোন নি¤œমানের বা ক্ষতিগ্রস্থ ওষুধ পাওয়া গেলে দ্রæত তার উৎস সম্পর্কে সনাক্ত করা যায়;

৭. গ্রাহককে তার ওষুধসমূহ ডিসপেন্স করার আগে নিশ্চিত হওয়া যে তা সঠিকভাবে প্যাক করা হয়েছে;

৮. ওষুধসমূহ বাড়িতে কিভাবে সংরক্ষণ করতে হবে তা গ্রাহককে পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দেয়া;

৯. মেয়াদোত্তীর্ণ এবং ক্ষতিগ্রস্থ সকল ওষুধ তাক থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রস্তুতকারক বা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করে এগুলো সম্পর্কে কি করণীয় তা জেনে নেয়া;

১০. মডেল মেডিসিন শপে যে কোন কাজ করার সময় নির্দেশনাগুলো ভালোভাবে দেখে নেয়া।